তারকা কন্যা থেকে বলিউড কুইন।
আলিয়া ভাট ১৫ মার্চ ১৯৯৩ সালে মুম্বাইয়ে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা মহেশ ভাট একজন বিখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা এবং মা সোনি রাজদান একজন অভিনেত্রী। আলিয়া ভাটের দাদার দেশ ছিল গুজরাট এবং মায়ের পক্ষে তিনি ব্রিটিশ-জার্মান বংশোদ্ভূত।
তিনি জামনাবাই নার্সি স্কুলে পড়াশোনা করেছেন। ছোটবেলা থেকেই অভিনয়ের প্রতি ছিল প্রবল আগ্রহ। স্কুলে পড়ার সময় থেকেই বিভিন্ন নাটক ও পারফরম্যান্সে অংশগ্রহণ করতেন।
২০১২ সালে করণ জোহর পরিচালিত ‘স্টুডেন্ট অব দ্য ইয়ার’ ছবির মাধ্যমে বলিউডে পা রাখেন আলিয়া। এই সিনেমায় তার গ্ল্যামার ও অভিনয় দক্ষতা সকলকে মুগ্ধ করেছিল।
এরপর একের পর এক হিট সিনেমায় অভিনয় করে আলিয়া ভাট নিজেকে বলিউডের শীর্ষ অভিনেত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন। তার উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে:
হাইওয়ে (২০১৪) – এক অন্যরকম চরিত্রে দুর্দান্ত অভিনয় করে প্রশংসা অর্জন করেন।
উড়তা পাঞ্জাব (২০১৬) – একটি ডার্ক ও চ্যালেঞ্জিং চরিত্রে অভিনয় করে জাতীয় পুরস্কার জিতে নেন।
রাজি (২০১৮) – দেশভক্তি ও আবেগের মিশেলে একটি দারুণ চরিত্র ফুটিয়ে তোলেন।
গাঙ্গুবাই কাথিয়াওয়াড়ি (২০২২) – এই সিনেমায় তার অভিনয় প্রশংসিত হয় বিশ্বজুড়ে।
২০২২ সালে তিনি বিখ্যাত অভিনেতা রণবীর কাপুরকে বিয়ে করেন। ২০২২ সালের নভেম্বরে এই দম্পতির ঘরে আসে কন্যা সন্তান রাহা কাপুর।
আলিয়া ভাট বহুবার ফিল্মফেয়ার পুরস্কারসহ নানা স্বীকৃতি পেয়েছেন। তার প্রতিভা ও পরিশ্রম বলিউডে তাকে বিশেষ এক স্থানে পৌঁছে দিয়েছে।
আলিয়া শুধু অভিনয়ে নয়, পরিবেশ ও পশু-অধিকার সম্পর্কেও সচেতন। তিনি তার নিজস্ব প্রোডাকশন হাউস ও ইকো-ফ্রেন্ডলি ব্র্যান্ড চালু করেছেন।
আলিয়া ভাট কাপুরের জীবন এক অনুপ্রেরণার গল্প। ছোটবেলা থেকে নিজেকে গড়ে তোলা, নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে সফলতা অর্জন – সবটাই তিনি করেছেন আত্মবিশ্বাস ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে। আজকের প্রজন্মের জন্য তিনি সত্যিকারের রোল মডেল।

0 মন্তব্যসমূহ